লোড হচ্ছে...
এজাহারে বলা হয়, ২০১৭ সালে আরামিট সিমেন্টের জন্য ৩৫০ কোটি টাকার ঋণ অনুমোদনের পর বিভিন্ন সময়ে ভুয়া বাই-মুরাবাহা ডিলের মাধ্যমে ঋণের অর্থ বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে ২০১৮ সালের ২৪ অক্টোবর থেকে ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর পর্যন্ত ২৭টি ডিলের মাধ্যমে ৬৩ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়।
৪ দিন আগে

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী একজন ব্যবসায়ী। ২০২৫ সালের আগস্টে সংঘবদ্ধ চক্রটি টেলিগ্রাম আইডি থেকে তাকে অনলাইনে খণ্ডকালীন চাকরির প্রস্তাব দেয়। নেদারল্যান্ডসের একটি প্রতিষ্ঠানের আদলে নকল ওয়েবসাইট তৈরি করে একটি ট্রাভেল প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে ইতিবাচক রেটিং ও ফিডব্যাক দেয়ার বিনিময়ে দৈনিক ৮০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা আয়ের প্রলোভন দেখানো হয়। প্রস্তাবে আকৃষ্ট হয়ে কাজ শুরু করলে তাকে কয়েক দফায় পারিশ্রমিকও দেয়া হয়। পরে তাকে একটি টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত করা হয়। সেখানে প্রতিষ্ঠানের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে ১ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা বিনিয়োগে আকর্ষণীয় মুনাফার প্রস্তাব দেয়া হয়।
২১ দিন আগে

মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, আসামি মো: আবুল খায়ের (হিরু)’র শেয়ারবাজারে কারসাজি করা প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স লি., ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স লি. ও সোনালী পেপারস লি.-এর শেয়ারে সাকিব আল হাসান বিনিয়োগ করেন। এতে সাকিব মার্কেট ম্যানুপুলেশনে সরাসরি সহায়তা করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ২ কোটি ৯৫ লাখ ২ হাজার ৯১৫ টাকা রিয়ালাইজড ক্যাপিটাল গেইনের নামে শেয়ারবাজার থেকে আত্মসাৎ করেন।
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬


